
সকলকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
~~~~~~ মন থেকে কিছু বলতে চাই ~~~~~~

কবিতা বা গল্প লেখার অভ্যাস আমার আগে থেকেই। ছোট বেলায় ১৬ই ডিসেম্বর উপলক্ষে আমরা এই কাজ গুলো করতাম। তারপর নানান ব্যস্ততার কারনে সেই পথে আর বেশি দিন হাটা হয় নি। যখন প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম সেই এইচ, এস, সি, (২০০১ সাল) তখন একটা ডাইরি-তে অনেক গুলা কবিতা লিখে দিয়েছিলাম আমার প্রেয়সীকে। সেটাই ছিল আমার জীবনের শেষ কবিতা লেখা।
দীর্ঘ ছয় মাস যাবৎ একটি গল্প লেখার চেষ্টা করে আজ লিখতে বসলাম। প্রথমেই আমি লেখক জনাব আনিসুল হক কে ধন্যবাদ দিয়ে আমার গল্পটি শুরু করবো। তাকে আমার মত অনেকেই চিনেন একজন ভাল গল্পকার বা কলামিস্ট হিসাবে। বাংলা সাহিত্যে সুকুমার রায় কে বলা হয় ছন্দের জাদুকর। আমার কাছে আনিসুল হক সাহেব একজন রূপক গল্পের জাদুকর। যারা আনিসুল হক সাহেবের বিভিন্ন লেখা খবরের কাগজে পড়ছেন তারা জানেন তার লেখার ধরন।
আমার গল্পের নাম আমি দিয়েছি “একটি কাঠাল গাছ ও তার মালী”। এটি একটি রূপক গল্প। যদি কেহ এই গল্পের কোন চরিত্রের সাথে নিজের মিল খুজে পান তাহলে তা হবে একান্তই কাকতালীয়।
প্রথম দৃশ্য :-
গল্পের শুরুটা একটা কাঠাল গাছ, তার মালিক বা দাবিদার ও তার কিছু রক্ষনাবেক্ষণ কারি দের নিয়ে। কাঠাল আমাদের জাতীয় ফল। গাছটি লাগান হয় একটি মহৎ উদ্যেশ্যে। গাছটি যিনি প্রথম রোপন করেন তখন তিনি ভেবেছিলেন গাছটি আমার হলেও এর ফল আমি সবাইকে ভাগ দিয়ে খাব। তাই তিনি তার কিছু পরিচিত লোক দের তার সাথে রাখলেন দেখা শুনা করার জন্য।
অনেক দিন অতিবাহিত হবার পর, গাছের মালিক তার ব্যক্তিগত কারনে গাছটি তার এক শুভাকাঙ্ক্ষী কে উপহার হিসাবে দিয়ে দেন। কারন তিনি যানতেন কাঠাল তার শুভাকাঙ্ক্ষীর ও খুব পছন্দের একটা ফল। এবং তিনি তার সঠিক পরিচর্যা করবেন। এখন ২য় মালিক যিনি হলেন তিনি তার সাধ্য মত তার পরিচর্যা করতে লাগলেন।
(চলবে .........)
নানা বিধ ব্যস্ততা এর কারনে অনেকদিন যাবত কিছু লেখা হচ্ছে না। আসলে চাকরি ছাড়ার পর কিছুদিন নিজেকে কাজ থেকে বিরতি দিলাম। মাঝে মাঝে কিছু বিরতি পরবর্তী কাজের উৎসাহ ও কর্মশক্তি জোগান দেয়। এখন আবার নিজেকে পৃথিবীতে টিকিয়ে রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছি বা চেষ্টা করছি।
আসলে এটি আমার অনেকদিনের একটি অপ্রকাশিত গল্প। একান্তই নিজের। মনের একটি কোনে পরে ছিল। কিছুদিন যাবৎ মাথা চাড়া দিয়ে উঠলো। যারা পড়বেন তারা হয়তো বলতে পারেন অপ্রকাশিত গল্প তাহলে কেন অপ্রকাশিত হল? জনৈক এক মনিষী বলেছিলেন, “দুঃখের কথা কারো সাথে আলোচনা করলে তাতে দুঃখ কমে, আর সুখের কথা বললে তাতে সুখের পরিমান বাড়ে।” সবাই যানে আমার বন্ধুর (প্রকৃত বন্ধু) সংখ্যা অনেক কম। তাই মাঝে মাঝে আমার এই ব্লগ-এ কিছু লিখে মনটা হালকা করি।
এতক্ষণ লেখক হুমায়ুন আহমেদ-এর মত অনেক প্রারম্ভিক আলোচনা বা প্যাচাল লিখলাম। সে যাই হোক, এখন আসল কথায় আসা যাক।
আমার মনে হয়, প্রতেক সুস্থ মানুষের কাছে তার পরিবারের গুরত্ব সবার আগে। আমারা চাকরি বা ব্যবসা যাই করি না কেন তা নিজের ও আমাদের পরিবারের জন্যই। তাই আমাদের এমন কোন চাকরি বা ব্যবসা করা উচিৎ নয় যাতে পরিবার থেকে দুরে যেতে হয়। হে প্রভু, আমাকে আমার পরিবার-পরিজন এর সাথে যেন সকল সময় ভালো ভাবে সময় কাটাতে পারি তার জন্য তোমার আর্শীবাদ কামনা করি।
সময়ের সাথে মানুষের চাহিদা রুচি-পছন্দ সব পরিবর্তন হয়, এটাই পৃথিবীর ধর্ম বা নিয়ম। এখন আমার পরিবার বলতে মা, বাবা আর আমি এবং অন্যান্ন। দুই বোন ছিল তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। পরম পিতার আর্শীবাদে হয়ত কিছুদিন এর মধ্যে আমি একা থেকে আমরা দুই জন হব, তারপর তিন, তারপর চার। এভাবেই পৃথিবী থেকে একদিন হয়ত চলে যাব। কিন্তু রয়ে যাবে আমার কর্মকান্ড গুলো। আমার মত ছোট বেলায় সবাই একটি ভাব-সম্প্রসারণ পড়ে থাকবেন, “মানুষ বাঁচে তার কর্মে, বয়সের মাঝে নয়।” যখন এটি পড়তাম তখন এর মর্ম কতটা বুঝতাম জানিনা তবে এখন বুঝি।
এখন মাঝে মাঝে যখন একা থাকি তখন নিজের অজান্তেই ফেলে আসা দিনগুলো খুব মনে পড়ে। আমার নিজের ভুল ও ভাল / খারাপ কাজ গুলো ভাবতে চেষ্টা করি। জীবনের ২৮-২৯ টি বছর পার করে এসেছি। অনেক সিদ্ধান্তই ঠিক ছিল আবার অনেক গুলাই ভুল। সঠিক সিদ্ধান্ত দিয়েছে আমাকে নানান সাফল্য অন্যদিকে ভুল সিদ্ধান্ত গুল আমার জীবন চলার গতি কিছুটা হলেও মন্থর করে দিয়েছে।
এখন নিজেকে সমাজে একজন সু-প্রতিষ্ঠিত মানুষ হিসাবে তৈরি করার যুদ্ধে রত আছি। আমার বিশ্বাস পরম পিতার আর্শীবাদে একদিন হয়ত তা হতে পারব। সময়ই বলে দিবে কতটা হতে পেরেছি। আমার পরিচিত অনেকে জানতে চায় কেন আমি এত ভাল একটি চাকরি ছেড়ে দিলাম? তার সঠিক উত্তর আমি দিতে পারি না। কেন ছাড়লাম??? যারা “গুরুদক্ষিনা” (ভারতীয় বাংলা সিনেমা) দেখেছেন সেখানে নায়ক তাপস পাল এর মত আমার অবস্থা এখন। যাদের ছায়ায় এত বড় হলাম (চাকরি ক্ষেত্রে) তাদের কাছ থেকেই এত দূরে থাকতে হবে ভাবিনি। আমি জানতাম একদিন চাকরি ছাড়তে হবে, কিন্তু এমন ভাবে ছাড়তে হবে তা কখনই ভাবিনি। এখনও তার সঠিক কোন উত্তর আমি খুজে পাচ্ছি না। এটা কি আমার কোন ভুল নাকি সময়ের দাবি??
এখন একটাই সান্তনা নিয়ে নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, পরম পিতা যা করেন তা নিশ্চয় তার সন্তানের জন্য মঙ্গলের জন্য। পৃথিবীটা ছোট, সেই তুলনায় বাংলাদেশ আর ছোট। বেচে থাকলে হয়ত ফেলে আসা মানুষ গুলো যাদের কে একসময় আর্দশ হিসাবে গ্রহন করেছিলাম তাদের সাথে দেখা হবেই। সবশেষে একটি গানের দুটি লাইন বলে শেষ করবো, “আমি আগের ঠিকানায় আছি / সময় করে এস একদিন / দুজনে কিছুক্ষন রব পাশাপাশি।” সবাই ভালো থাকেন।
আমরা Joomla! 1.5 নিয়ে কাজ করছি। আমরা এতদিন শিখেছি কিভাবে লোকালহোস্ট-এ (localhost) জুমলা দিয়ে ওয়েবসাইট করা যায়। কিন্তু শুধু লোকালহোস্ট-এ কাজ করলেই তো হয় না, তা আবার Remote Server / Hosting Server -এ দিতে হবে। আজ শিখবো কিভাবে তা করতে হয়।
১। প্রথমে আমাদের FTP, Hosting Server, domain.com/subdirectory ইত্যাদি সর্ম্পকে ভালো ধারনা থাকতে হবে। কিভাবে ফাইল আপ করতে হয়, তা কিভাবে সংরক্ষন করতে হয় ইত্যাদি।
২। আমরা দুই ভাবে ফাইল গুলো আপ করতে পারি। ক) FTP software (e.g. FileZilla) খ) Hosting Server (e.g. dsolutionhosting.com)। যেভাবেই করি কাজ একই হবে। আমরা শিখবো FileZilla দিয়ে কিভাবে ফাইল আপ করা যায়।
৩। আবার আমরা দুই ধরনের ফাইল আপ করতে পারি। ক) সকল ফাইল এক সাথে খ) ফাইল গুলো compressed করে। যদি আমরা ফাইল গুলা compressed করে আপ করি তাহলে আপ করার পর তা আবার un-compressed করতে হবে। আর যদি সকল ফাইল এক সাথে আপ করি তাহলে তা স্বাভাবিক ভাবেই হলো। তবে আমি compressed করে ফাইল আপ করতে বেশি পছন্দ করি। কারন তাতে সময় কম লাগে এবং ফাইল নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকে না।
৪। জুমলার গুরত্বপূর্ণ একটি বিষয় Database। এখন আমরা Local MySQL Database থেকে Host MySQL Database-এ কিভাবে Copy করতে হয় তা দেখবো।
ক) প্রথমে আমাদের phpMyAdmin (http://localhost/phpmyadmin) open করতে হবে।
খ) ডাটাবেজ টি সিলেক্ট করতে হবে।
গ) ডাটাবেজ-এর উপরের দিকে যে Export tab আছে তা ক্লিক করতে হবে।
ঘ) ডাটাবেজ-এর নাম দিতে হবে। না দিলেও হয়। Save as file -এ টিক দিয়ে (ছবির মত করে) Go button -এ ক্লিক করতে হবে।
ঙ) এখন একটি ডায়লগ বক্স আসবে আমরা কিভাবে *.sql ফাইলটি সংরক্ষন করবো। নির্দিষ্ট স্থানে সংরক্ষন করতে হবে যাতে পরবর্তীতে তা মনে থাকে।
৫। এখন আমরা দেখব কিভাবে আমাদের সংরক্ষন কৃত *.sql ফাইলটি host server এর phpMyAdmin এ Import করতে হবে।
ক) প্রথমে আমাদের host server এর phpMyAdmin (http://webhost.com/phpMyAdmin) open করতে হবে।
খ) এখন Import tab Select করে আমাদের *.sql সংরক্ষন কৃত ফাইলটি এখানে browse ..... করে আপ করে দিতে হবে।
এখন আরেকটি খুব গুরত্বপূর্ণ কাজ বাকি আছে। সকল কিছু আপ করার পর আমাদের configuration.php ফাইলটি edit করতে হবে। এটি খুব গুরত্বপূর্ণ একটি ফাইল তাই খুব সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যা করতে হবে তা ধারাবাহিক ভাবে বলছি ….....
১। যদি আমরা Windows XP localhost system এ কাজ করি তাহলে আমাদের configuration.php ফাইলটি দেখতে এমন হবে।
========
var $log_path = 'C:\\xampp\\htdocs\\joomla15\\logs';
var $tmp_path = 'C:\\xampp\\htdocs\\joomla15\\tmp';
var $live_site = '';
var $host = 'localhost';
var $user = 'root';
var $db = 'your_local_db_name';
var $password = 'your_local_db_password';
=========
২। এখন আমাদের remote host system এর configuration.php ফাইলটি ওপেন করতে হবে।
=========
var $log_path = '/var/www/public_html/dsolutionbd.com/home/html/logs';
var $tmp_path = '/var/www/public_html/dsolutionbd.com/home/html/tmp';
var $live_site = '';
var $host = 'name your remote host';
var $user = 'your_user_db_name';
var $db = 'your_db_name';
var $password = 'your_db_password';
========
এখানে একটি বিষয় আমাদের লক্ষ্য রাখতে হবে আমরা যে $log_path,$tmp_path তা ঠিক আছে কিনা। তা সঠিক হলো কিনা তার জন্য আমরা remote host এর upload folder টি দেখে নিতে পারি।
If you can't see Bangla
{For Windows XP}
Use the Mozilla Firefox (free download) browser and get better result of my blog. You need to install the Bangla fonts also.
Solution is: Click start > Setting > Control Panel > Regional and Language Option > Language > (image) Click the image below and insert the Windows XP service pack2 CD and install fonts.
Then reload the page.
| powered by e-commerce website design . |