The Web This Blog
Showing posts with label Celebrity. Show all posts
Showing posts with label Celebrity. Show all posts

Friday, May 14, 2021

রামাচরন বাগচি ও তার প্রিয় বাছুর (প্রথম অংশ)

ঈদের বন্ধ, ভাবলাম ঘরে বসে বসে কি করা যায়? তাই একটি রুপক গল্প লিখতে বসলাম। আমার কাছে রুপক গল্প লিখতেই বেশি ভাল লাগে কারন এই গল্পগুলো পাঠক নিজের মত পড়ে ও ভাবতে পারেন। অনেক বছর যাবত ব্লোগে লিখে আসছি এমন কিছু রুপক গল্প। দেশ, সমাজ, সমসাময়িক ঘটনা ইত্যাদি বিষয় থাকে আমার সেই গল্পগুলোতে। Indian Daily Soap Opera  গুলো দেখলে বুঝা যায় যার সাথে বাস্তবের মিল আছে ২০% বাকী পুরটাই রুপক বা কল্পনানির্ভর। কিন্তু সাধারন মানুষ এই নাটকগুলোকে এতটাই জীবনের সাথে আপন করে নেয় যে, সবাই সেই নাটকের কোন না কোন চরিত্রের সাথে নিজেকে খুজে পায়।

বাংলাদেশে রুপক গল্পকার হিসেবে আমার একজন ভালোলাগার লেখক হানিফ সংকেত, তিনি সমাজের অনেক ঘটনাকে তার মত করে রুপক আকারে উপস্থাপন করেন। তাই আজকের লেখাটি তাকে উৎসর্গ করলাম।

আজকের গল্পের নায়ক বা প্রধান চরিত্রটি পুরান ঢাকায় জন্ম ও বড় হয়ে উঠা এক কিশোরকে নিয়ে। রামারচরন বাগচি তার নাম, ছেলেটি স্বপ্ন দেখতে ও নতুন নতুন কিছূ আবিস্কার করতে ভালোবাসে। নব্বই দশকে কৈশোর বয়সে যখন টিভিতে সাঁওতালি সুন্দরী কোন মেয়ের নাচ দেখত তখন ভাবতো কোন সাঁওতালি মেয়ে বিয়ে করে পাহাড়ে গিয়ে বসবাস করবে। সুন্দর প্রকতি খাবে-দাবে পাহাড়ে পাহাড়ে বেড়ানো যাবে আর কাজ করবে। জীবনের বেশি কিছু চাওয়ার নাই। কিছুটা বড় হবার পর সেই স্বপ্নটা বাদ পরে গেল।

ঠাকুরমা-র আদরে বেড়ে উঠা ছেলেটি খেলাধুলায় খুব ভাল করতে থাকে, প্রিয় খেলা ফুটবল। প্রিয় খেলয়ার সেই সময়কার ইতালীর Roberto Baggio. স্বপ্ন দেখতে যে ছেলেটি ভালবাসে সময়ের সাথে সাথে এবং সংসারের আর্থিক অনটনের কারনে একে একে স্বপ্নগুলো হারিয়ে যেতে থাকে, কারন স্বপ্ন আর বাস্তবতার মধ্যে অনেক তফাত।

বিটিভি তে কৃষিভিত্তিক অনুষ্ঠান দেখে তার সখ হলো লেখা পড়া শেষ করে একটি আধুনিক কৃষি খামার দেবার। এস এস সি পরিক্ষা শেষ, ঠাকুরমা বললো কি করা যায়। বসে থেকে তো লাভ নাই রে ভাই। ১৯৯৮ সালের শেষের দিকে একটি মাত্র গাধা দিয়ে শুরু হলো তার গাধাকে মানুষে পরিনিত করার প্রকল্প। অল্পদিনের মধ্যে তার খামারে বেশ কিছু গাধা-গাধি আসতে থাকে। কয়েক বন্ধু মিলে ভাবতে থাকে একটি বড় গাধাদের খামার দিলে কেমন হয়। কিন্তু আর হয়ে উঠেনি। বেশ কয়কটি গাধা এখন মানুষে পরিনিত হয়েছে এবং দেশের জন্য কাজ করছে।

এইচ এস সি পরিক্ষার পর ভাবতে থাকে কি করা যায়, লেখা-পড়ার পাশাপাশি স্থায়ি কিছু আয় করা যায় কিনা। চাকরি খুজতে খাকে কিন্তু পায় না। ২০০৪ সালের দিকে এক বান্ধবী বললো তোমাকে একটি মুরগীর খামারে নিয়ে যাই। আমি সেখানে মুরগী লালল পালন শিখছি। কারন এখন সারা পৃথিবীতে মুরগীর ব্যপক চাহিদা। ছেলেটি গিয়ে ভর্তি হলো মুরগীর চিকৎসা কিভাবে করা যায় তার প্রশিক্ষন নিতে।

প্রশিক্ষন চলাকালীন তার সাথে অল্প সময়ের মধ্যে ছাত্র-শিক্ষক সবার সাথে সক্ষতা বারতে থাকে। কোর্স শেষ হলে কিছুদিন ইন্টার্নী করে ছেলেটি। তখনই সৌভাগ্যক্রমে সেই প্রতিষ্ঠানের মুরগীর ডাক্তারটি চাকরি ছেড়ে দেয়। কোর্স ফলাফল ভাল থাকায় এবং প্রশিক্ষকের সুদৃষ্টি থাকার ফলে চাকরি পেয়ে যায় ছেলেটি। তখনই প্রশিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যে খুবই গভির ভাতৃতের একটি সম্পর্ক তৈরি হয়।

সময়ের ব্যবধানে আর বেশকিছু খামারে চাকরি করে ছেলেটি। ছেলেটির জীবনে বড় হয়ে উঠার ক্ষেত্রে সেই মুরগীর খামারের প্রশিক্ষক এর ভূমিকা অপরিহার্য। ২০০৭ সালে সেই প্রশিক্ষকের হাত ধরেই আন্তর্জাতিক মানের একটি বাঘের খামারে ছেলেটির চাকরি হয়। বাঘের খামারটি ছেলেটির জীবনকে ব্যপক পরিবর্তন করে দেয়। জীবনকে সে নতুন ভাবে চিনতে শুরু করে। চার বছর সেই খামারে সুনামারে সাথে চাকরি করে ছেলেটি। সেখানে প্রিয় এক বড় ভাইয়ের সাথে তার পরিচয় ও সক্ষতা হয়। জীবন ও তার উদ্দেশ্য ঠিক করতে থাকে ছেলেটি, আর চাকরি নয়, এখন ব্যবসা করতে হবে। হাতে প্রচুর টাকা। সেই প্রিয় ভাইটি বলেছিল চাকরি ছেড়না তুমি, চাকরির পাশাপাশি ব্যবসা করতে থাকো ও শিখতে থাকো। চাকরি নিজের জন্য আর ব্যবসা করবে অপরকে ভাল রাখার জন্য।

শ্রধেয় মুরগীর খামারের সেই প্রশিক্ষকের সাথে কিছুটা অভিমান করে চাকরি ছেড়ে শুরু করলো ব্যবসা, কিন্তু কোনটাই আর লাভের মুখ দেখলো না। একে একে সব ব্যবসা ও জামানো টাকা যখন শেষ। সংসারের কারনে আবার সে একটি কুমিরের চামড়া রপ্তানীর খামারে চাকরি করে। অল্প সময়ের মধ্যে সেখানে সুনাম অর্জন করে। তার মামা বলেছিল আমি কিছুদিন পর ছোট একটি কুমিরের চামড়া রপ্তানীর খামার দিবো। ভালভাবে কাজ করতে খাকো। কিন্তু সেখানে কিছুতেই ছেলেটির মন বসে না। কারন ছেলেটি একটি ধর্মীয় আদর্শে মানুষ, যেখানে শুধু নিজে ভাল থাকলে চলবে না তোমার সমাজ ও দেশের জন্য কিছু একটা করতে হবে যাতে অন্যকেও ভাল রাখা যায়।

২০১৩ সাল রামাচরন বিয়ে করে মানিকগঞ্জ জেলার কবিতা বালা নামের এক শিক্ষিত মেয়েকে। সেও কিছুদিন যাবত চাকরি করে বেশ টাকা সঞ্চয় করেছে বিয়ের পর নিজে কিছু করার জন্য। কবিতা বালা একদিন বলে, “আমি চাইনা আমার সন্তানরা বড় হয়ে চাকরি করুক।” কিন্তু কি ব্যবসা করবে তাও তারা ঠিক করতে পারছে না। রামাচরন ভাবে তারা একটি নিজের নামে কৃষি খামার দিবে। কারন এই বিষয়েই রামাচরনের বিশেষ জ্ঞান আছে। যেখানে হাস, মুরগি, গরু, হরিন, বাঘ, কুমির সবই পাওয়া যাবে একই খামারে। কবিতা বালা রামাচরনের অনুপ্রেরনায় ঘরে বসে অনলাইনে প্রশিক্ষন নিতে থাকে। কিছুতেই কিছু হয়ে উঠছিলনা কারন যতবার খামার চালু করবে ভাবে ততবারই কোন না কোন সমস্যা রামাচরনকে পিছে ফেলে দেয়।


কি করবে ভাবতে ভাবতে ই চলে যায় জীবনের আরো কয়েকটি বছর …....................


রামাচরন বাগচি ও তার প্রিয় বাছুর (শেষ অংশ)

Thursday, September 3, 2009

উত্তম কুমার স্বরনে


আজ ৩ সেপ্টেম্বর, মহানায়ক উত্তম কুমার এর ৮৩ তম জম্নদিন। তার প্রকৃত নাম "অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায়"। তার পিতার নাম ছিল সাতকড়ি চট্টোপাধ্যায়। ১৯২৬ সালের এমনই এক দিনে উত্তম কুমার অহিরী টোলার ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।

বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদপুরুষ উত্তম কুমার প্রায় দুই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। সর্বপ্রথম তার অভিনীত ছবির নাম ছিল "মায়া ডোর"। এটি একটি হিন্দি ছবি। ছবিটি কখনোই মুক্তি পায়নি। আড়াই যুগেরও বেশি সময় বাংলা চলচ্চিত্রে উত্তম কুমার দাপটের সাথে অভিনয় করেন। উত্তম-সুচিত্রা-র রোমান্টিক জুটি আজও সেরা জুটি। সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে এসে চলচিত্র জগতে প্রতিষ্ঠা পেতে অনেক পরিশ্রম করেছেন এবং অসাধারণ ধৈর্য, একাগ্রতা ও নিষ্ঠাবান ছিলেন৷

এক সময় তিনি কলকাতায় কেরানির চাকরি করতেন। দিগম্বর চ্যাটার্জির মর্যাদা ছবিতে উত্তম কুমারের নাম ছিল অরূপ কুমার। অগ্রদূত পরিচালিত সহযাত্রী ছবিতে তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় উত্তম কুমার। ১৯৫০ সালের ১ জুন ২৪ বছর বয়সে তিনি গৌরী দেবীর সাথে বিয়েব বদ্ধনে আবদ্ধ হন। ১৯৫৬ সালে উত্তম কুমার নবজন্ম ছবিতে নচিকেতা ঘোষের সুরে ছয়টি গান গেয়েছিলেন। সে সময় উত্তম কুমার গায়ক হিসেবেও আলোচিত হন। ১৯৫৭ সালে হারানো সুর ছবিতে উত্তম কুমার প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।

আমার সবচেয়ে বেশী দেখার সুযোগ হয়েছে "অমানুষ" ও "আনন্দ আস্রম"। দুটা ছবিতেই নাইকা হিসাবে ছিলেন শর্মিলা ঠাকুর। যতবার দেখি ততবারই মনে হয় প্রথম বার দেখছি। কোথাও দেখে মনে হয় না যে অভিনয় করতেছে।

তার চলচ্চিত্রে শেষ অভিনীত ছবি ছিল সলিল দত্ত পরিচালিত ওগো বধূ সুন্দরী। ১৯৮০ সালের ২৪ জুলাই বৃহস্পতিবার, রাত ৯টা ২৫ মিনিটে উত্তম কুমার কলকাতার বেলভিউ ক্লিনিকে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৫৪ বছর।

উত্তম কুমার আজ আর আমাদের মাঝে নেই। তার আত্নার শান্তি কামনায় ............

Thursday, November 20, 2008

সুফিয়া কামাল স্বরনে


১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালে জন্ম গ্রহন করেন সুফিয়া কামাল।প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা খুব বেশী না থাকলেও স্ব-শিক্ষায় শিক্ষিত ছিলেন তিনি।১৯৯৯ সালে ৮৮ বৎসর বয়সে মারা যান সুফিয়া কামাল।

নবম মৃত্যু বার্ষিকীতে তাঁকে জানাই শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা।

Tuesday, October 28, 2008

World famous person in one frame




বিশ্বের বিখ্যাত কুখ্যাত সবাই এক সাথে। কয়জনকে আপনি চিনেন? আমি ২১ জন এর মত জনকে চিনতে পেরেছে।

1. Albert Einstein
2. Elizabeth Alexandra Mary (Elizabeth II)
3. Muhammad Ali
4. Sir Charles Spencer Chaplin
5. Saddam Hossain
6. Edison Arantes do Nascimento (Pelé)
7. Diego Armando Maradona
8. Adolf Hitler
9. William Jefferson "Bill" Clinton
10. Bruce Lee
11. William Shakespeare
12. Ernesto "Che" Guevara
13. Fidel Alejandro Castro Ruz
14. Mohammed Abdel Rahman Abdel Raouf Arafat al-Qudwa al-Husseini (Husseini Arafat)
15. George Walker Bush
16. Osama bin Laden
17. The Prince Charles
18. Nelson Rolihlahla Mandela
19. Mother Teresa
20. Rabindranath Tagore
21. Mohandas Karamchand Gandhi (Mahatma Gandhi)

Friday, September 5, 2008

প্রীয় নায়ক সালমান শাহ


আগামীকাল ৬ ই সেপ্টেম্বর প্রায় ১২ বছর আগে এই রকম একদিনে বাংলাদেশের একটি ছেলের মৃত্যূ হয়। যাকে আমরা “নায়ক সালমান শাহ” নামে বেশী জানি। তার আসল নাম শাহরিয়ার চৌধুরী ইমন।


সিনেমা দেখার শখ আমর ছোট বেলা খেকে। প্রতি বছর বার্ষীক পরীক্ষার পর আমাদের বাসাতে ৭ খেকে ১০ দিনের জন্য ভিসিআর আনা হতো। আমি মূলত ভারতের মিঠুন চক্রবর্তী বড় ভক্ত ছিলাম। তার “Disco Dancer” ছবিটি আজ আমার কাছে দেখতে ভাল লাগে।


৯০ দশক এর মাঝামাঝি দিককার কথা আমি মাঝে মাঝে সিনেমা হলে ছবি দেখতে যেতাম। সেই সুবাদে সালমান শাহ-এর ও দু-চারটা ছবি দেখার সুজোগ আমার হয়েছিল। তবে তার মৃত্যুর পর দেখা হয়েছে বেশী।


আজ তার স্বরনে লিখতে বসে ১৯৯৬ সালের ৬ ই সেপ্টেম্বর এর কথা কিছুটা মনে পরছে।

সম্ভবত বিকালের দিকে আমার এক কাকীকে এসে বলছে সালমান শাহ মারা গেছে। আমার কাকী ছিল সালমান শাহ এর কঠিন ভক্ত। পরে বিটিভি খবরে শুনলাম ও দেখলাম আসল ঘটনা।


তখন একটা বিষয় ভেবে অবাক হতাম অনেকের হয়তো মনে আছে তার অনেক ভক্ত তার মৃত্যুর খবর পেয়ে আত্যহত্যা করেছিল। মজার বিষয় হচ্ছে আমিও তার কিছু গান, ছবি কিনেছিলাম। আমার মনে আছে আমার কাছে প্রায় ৭০-৮০ টার মত ছবি ছিল। দুঃখের কথা হচ্ছে এখন আমার কাছে ৫-৭ টার বেশী নাই।


আমরা আসলে ভাল লোক বেচে থাকলে তার সম্মান দেই না। আমার মনে হয় তার মৃত্যুর পর তার অভিনিত ছবি মানুষ বেশি দেখেছে।


তার আত্নার শান্তিকামনায়।

Friday, August 29, 2008

কাজী নজরুল ইসলাম এর চিঠি

পাঠ্যপুষ্তক ছাড়া জাতীয় কবী “কাজী নজরুল ইসলাম” এর কোন সাহিত্য পড়েছি বলে মনে পড়ে না। এটা আমার জন্য দূর্ভাগ্য বলা যায়। কিন্তু গল্পের বই পড়ার ধর্য্য আমার কখোনই ছিল না। আমার পড়া একমাত্র গল্প “সমরেশ মজুমদার”-এর লেখা “সাতকাহন” প্রথম খন্ড। তাও অনেকটা বাধ্য হয়েই পড়তে হয়েছিল।



আজ প্রথম আলো-তে কাজী নজরুল ইসলাম এর স্নরণে কিছু চিঠি ছাপা হয়েছে। আজ শুক্রবার হওয়াতে অফিসে কাজ কম তাই সব গুলো চিঠি পড়লাম। এত ভাব লাগলো য়ে, এক কথায় বললে বলতে হয় অসাধারন। প্রথম আলো আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।

Monday, August 4, 2008

কিশোর কুমার স্বরনে....


আজ ৪ ঠা আগষ্ট উপমহাদেশের প্রক্ষাত গায়ক “কিশোর কুমার গাঙ্গুলি” এর জম্নদিন। আজ লেখাটা তার স্বরনে। তার জম্ন ইংরেজী ১৯২৯ সালের ৪ ঠা আগষ্ট, রোজ রোববার এবং মৃত্যু ইংরেজী ১৯৮৭ সলের ১৩ ই অক্টোবর, রোজ মঙ্গলবার।


অনেক কিছু লেখার হচ্ছা ছিল। কি যে লিখবো তাই বুঝতেছি না। Wikipedia থেকে তার সর্ম্পকে আর বেশী জানতে পারবেন। যারা এই লেখাটা পড়বেন তারা য়েন একবার Wiki-র এই লিংকটা একবার দেখেন।


তিনি আমার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী। আজ তিনি আমাদের থেকে অনেক অনেক দূরে। আজ অনেকক্ষন তার গান শুনলাম। তার গাওয়া অনেক গান আমার সংগ্রহে আছে। তার আত্নার শান্তি কামনায়।