আমি
বাংলাদেশের একজন অতি সাধারন
ছাত্র। এখন একজন ছাত্রীর বাবা।
শিক্ষা জীবন শুরু করি সিরাজুল
ইসলাম একাডেমী সরকারী প্রাথমিক
বিদ্যালয়,
গেন্ডারিয়া,
ঢাকা
থেকে। ১৯৮৮ ইং সনের ১লা জানুয়ারি
(সম্ভাব্য)
ভর্তি
হই প্রথম শ্রেনী তে রোল নং ৪১,
শাখা
ক-তে।
শ্রেনী শিক্ষিকা ছিলেন ছাবিহা
খাতুন ম্যাডাম। যতটুকু প্রথম
দিনের ঘটনা মনে পরে আমার ছোট
কাকা বিজয় কুমার সরকার আমাকে
নিয়ে যায় বিদ্যালয়ে,
একটি
বা দুইটি ক্লাস করার পর কান্না
কাটি শুরু করি তারপর বাড়ি চলে
আসা। আমাদের দ্বিতীয় শ্রেনী
পর্যন্ত পাঠ্য বিষয় ছিল চারটি
বাংলা,
গণিত,
পরিবেশ
পরিচিতি সমাজ,
ধর্ম।
আমাদের সময় বিদ্যালয়টি ছিল
L
সেপ
এক তলা,
এখন
তিন তলা বিশিষ্ট বিশাল ভবন।
কয়েকজন
ঘনিষ্ট বন্ধু ছিল বিল্লাল,
আনিস,
ইকবাল
উল্লেখযোগ্য যারা সমসময় এক
সাথে চলা ফেরা শুরু করি। খুব
মজার একটি ঘটনা মাঝে মাঝে মনে
পরে এখনও। চতুর্থ ও পঞ্চম
শ্রেনীতে পড়া কালীন আমরা ছিলাম
বিদ্যালয়য়ের সবচেয়ে দুষ্ট
কিন্তু মেধাবী ছাত্রের দল।
আনিস ছাড়া আর কেও আমাদের ছবি
আঁকতে পারতো না। তাই চারু কলা
পরিক্ষার খাতায় আমাদের সকল
ছবি আনিস ই আঁকত আর আমরা চুপ
চুপ বসে থাকতাম। তখন আমরা
আরেকটি কাজ করতাম এই তিন চার
জন মিলে নাস্তা কিনে আনতাম
ড্যানিস,
বন
রুটু,
বাটার
বান ইত্যাদি যা পরীক্ষা শেষ
হলে খাওয়া দাওয়া করে পরীক্ষা
হল থেকে বেরা হতাম।
১৯৯৩
সালের জানুয়ারি মাসে ৬ষ্ঠ
শ্রেনীতে ভর্তি হই,
পুরাতন
ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়
গেন্ডারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে।
বিদ্যালয়টি ১৯৩৭ সালে প্রতিষ্ঠিত।
এই বিদ্যালয় থেকেই ১৯৯৮ সালে
বিজ্ঞান শাখা থেকে এস এস সি
পরিক্ষায় অংশগ্রহন করি এবং
১৯৯৯ সালে ৬১২ নাম্বার নিয়ে
১ম বিভাগে উর্ত্তীণ হই। অনেক
আশা ছিল ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার
হবো যদিও যোগ্যতা ও সামর্থ
কোনটাই ছিল না।
এস
এস সি পরিক্ষার পর থেকেই শুরু
করি শিক্ষকতা পেশা,
ভালই
নাম ডাক হচ্ছিল
আমার রাম
স্যার হিসাবে। তারপর সলিমুল্লাহ
ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হই একাদশ
শ্রেনীতে এবং ২০০১ সালে পাস
করি এইচ এস সি বানিজ্য বিভাগ
থেকে দ্বিতীয় শ্রেনীতে। ২০০৪
সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
এর অধিনে সরকারি
শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ
থেকে
বি বি এস পাস করি। তারপর যদিও
কবি নজরুল সরকারি কলেজে ভর্তি
হই সেখান থেকে আর্থিক অনটনের
কারনে আর মাস্টার্স পরীক্ষা
দেওয়া হলো না।
এই
হচ্ছে আমার জীবনের লেখা পড়ার
ইতিহাস। আজকে এই লেখার উদ্দেশ্য
হচ্ছে আমাদের এই ছোট দেশটিতে
সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে
যেমন নিয়ম নীতি পরিবর্তন হয়
তেমন শিক্ষা ব্যবস্থারও ব্যপক
পরিবর্তন হয়।
একটি
দেশের শিক্ষাই জাতীর মেরুদন্ড
এটা নানা ভাবে আমরা জেনেছি,
তাহলে
কেন বার বার বাংলাদেশের এই
মেরুদন্ড ভাংগা হচ্ছে,
কি
তার সার্থ,
কার
ই বা লাভ। ছোট বেলায় আমার ঠাকুর
দাদা বা নানা রা বলতেন আমদের
সময় এমন লেখা পড়া ছিল তোরা তো
কিছুই দেখস নাই পারস ও না।
আমরা যারা ২০ বছর আগে এস এস সি
পরিক্ষায় পাশ করেছি এখনকার
ছেলে মেয়ে দের বলতে ইচ্ছা করে
তোমরা তো কিছুই পার না। আমাদের
সময় যেই কঠিন পরীক্ষা হত। ১৯৯৮
সালে এস এস সি পরীক্ষায় পাস
করেছিল ৪৭.৯৬%
এখন
২০১৮ সালে পাশ করে প্রায় ৯০%
এর
মত। তাহলে শিক্ষার মান তো ভাল
হয়েছে বলা যায় না কি?
সবচেয়ে
দূঃখ লাগে যখন দেখি প্রাইমারী
পাস করে মাধ্যমিক,
উচ্চ
মাধ্যমিক তারপর বিশ্ববিদ্যায়
তারপর কর্ম জীবন লেখা পড়ার
কোন স্তরের সাথে উপরের কোন
স্তরে নাই কোন মিল তাই কর্মজীবনে
আমারা পরি নানান সমস্যায়।
এখন দেখা যায় প্রতিটি বাচ্চাদের
বিদ্যালয়ের সামনে অভিবাবক
মায়েদের বিশাল লাইন দেখে মনে
হতে পারে তারও সন্তানরে সাথে
পড়া লেখা করতে এসেছে। যেই
ক্লাস শেষ সন্তান নিয়ে মা টি
ছুটলেন নাচ,
গান
অথবা চিত্রাংকন শিখতে। সেইটা
শেষ করে বাসায় যেতে যেতে রাত
৭-৮
টা বাজে তারপর পরবর্তী দিনের
ক্লাসের জন্য তৈরি হওয়া।
এভাবেই চলছে আমাদের ছোট
সোনামণিদের জীবন। পরিক্ষায়
হয়তো ফলাফল ভাল হচ্ছে কিন্তু
মানষিকতার বিকাশ কি হচ্ছে
তাদের?
আমাদের
অভিবাবকরা তার সন্তানকে একটি
নামী দামী বিদ্যালয় থেকে
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করতে
পারলে যে কি খুশি হয় তার ইতিহাস
আমরা দেখেছি। এত এত টাকা খরচ
করে আমাদের সন্তানরা কি শিখছে
তার দিকে কি আমরা লক্ষ করছি?
সেদিন
একটি খবর শুনে খুবই খারাপ
লাগলো প্রাচ্যের অক্সফোর্ড
ক্ষ্যত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
এখন আর বিশ্বের একশত বিশ্ববিদ্যালয়ের
তালিকায় নাই। তাহলে আমাদের
জাতীর কি হবে?
তাহলে
কি আমরা আর ভাল মানের সঠিক
শিক্ষা আমাদের সন্তানদের
দিতে পারবো না। ভাববার সময়
এসেছে যারা এই বিষয়ে কাজ করছেন।
Wednesday, May 15, 2019
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ও আমার লেখা পড়া
Labels:
Bangla,
Bangladesh,
Equcation System
রাম কৃষ্ণ সরকার আমার নাম। বাপ্পী নামটি আমার কাকার দেওয়া। আমি আমাদের বংশের বড় ছেলে তাই ঠাকুর মা ও ঠাকুর দাদা সহ সবার আদর পেয়েছি সবচেয়ে বেশী। ভাল লাগে স্বপ্ন দেখতে, গান শুনতে, নতুন নতুন জাদু শিখতে ও ঘুরতে। আমি আমার “মা” কে সবচেয়ে বেশী ভালবাসি।
আমার বন্ধু সংখা অনেক কম। আমার কয়েকটা খারাপ গুন হচ্ছে সবার সাথে মিশতে না পারা, গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারিনা ও কথা কম বলা। ভাল লাগে শিশুদের সাথে সময় কাটাতে। মন খারাপ হলে বুড়িগঙ্গা নদীর পাশে একা একা বসে থাকতে।
Tuesday, May 14, 2019
সড়ক দূর্ঘটনা
পুরাতন একটি গল্প দিয়েই যাত্রা শুরু করি, একটি বাস দূর্ঘটনা ঘটার পর, ড্রাইভারকে হাসপাতালে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ:-
পুলিশ:- কি ভাবে দূর্ঘটনা ঘটলো?
ড্রাইভার:- স্যার আমার কোন দোষ নাই। আমি নতুন গাড়ি চালাই, আমার ওস্তাদ কইছে রাস্তায় কোন কিছু দেখলে তাকে সাইড দিয়ে গাড়ি চালাবি।
পুলিশ:- ভাল তো, তাহলে খালে পরলি কি ভাবে?
ড্রাইভার:- গাড়ি চালু করার পর কিছুদূর যাবার পর দেখি একটি মুরগি, হর্ন দিলাম সরে না, মুরগি কে সাইড দিলাম। তার কিছুদূর পর দেখি একটি গরু মাজা দুলিয়ে দুলিয়ে যাচ্ছে, তাকে হর্ন দিলাম গরু আমাকে সাইড দিল। আমি চলতে থাকি। তারপর দেখি একটি বুড়া লোক লাঠি ভর দিয়ে যাচ্ছে আমি আস্তে হর্ন দিলাম, লোকটি সরে গেল আমি তাকে সাইড কেটে গাড়ি চালিয়ে বেরিয়ে গেলাম।
পুলিশ:- ভাল তো চালাচ্ছিলি, তাহলে খালে পরলি কি ভাবে?
ড্রাইভার:- স্যার আমার কোন দোষ নাই। আবার গাড়ি চালানো শুরু করলাম, কিছুদূর যেতে না যেতেই দেখি একটি বট গাছ ও একটি ব্রিজ পাশাপাশি এখন কাকে সাইড দিবো বুঝতে না বুঝতে আমি দুইটাকেই সাইড দিতে গিয়ে খালে গিয়ে পরলাম, তারপর আমার কিছু মনে নাই স্যার।
দুঃখের মাঝে হাসি পায় এই হচ্ছে আমাদের দেশের ড্রাইভার কাকে সাইড দিবে আর কাকে দিবে না তা বুঝতে বুঝতেই দূর্ঘটনায় জীবন চলে যায়।
নিটোল টাটা কম্পানির স্লোগান, “একটি দূর্ঘটনা, সারা জীবনের কান্না”। নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন সাহেবের প্রথম স্ত্রী জাহানারা কাঞ্চন ১৯৯৩ সালের ২২ অক্টোবর রোজ শুক্রবার ইলিয়াস ভাইয়ের শুটিং দেখতে যাবার পথে সড়ক দূর্ঘটনায় মারা যান। সেই বছরেই ১ লা ডিসেম্বর তিনি নিরাপদ সড়ক, নিরাপদ জীবন শ্লোগানে নিরাপদ সড়ক চান আন্দোলনে নামেন।
এমনও হয়ে থাকে একজন ব্যাক্তির মৃত্যুতে পুরো পরিবারটাই নিঃশেষ হয়ে যেতে পারে। একটি সড়ক দূর্ঘটনা কি শুধু একজন চালকের কারনেই হয় নাকি পথচারির ও দোষ আছে। গত তিন বছর যাবত নিয়মিত ভাবে অফিসে সাইকেল চালিয়ে আসা যাওয়া করিছি। আমি খুবই শান্ত ভাবেই সাইকেল চালাই, মাঝে মাঝে এতটাই বিরক্ত হই যে ঘন্টা বাজাই তারপরও লোকজন সাইড দিতে চায় না।
বাংলাদেশে যেন এখন একটা নিয়ম হয়ে গেছে একটি দূর্ঘটনা ঘটবে তা নিয়ে কিছুদিন টকশো, পত্রিকায় বিশাল লেখা লেখি তারপর কিছুদিন গেলে সব শেষ। যদি টিভি বা পত্রিকায় দুর্ঘটনার ছবি ছাপা হয় তাহলে হয়তো কিছু টাকা পয়সা পাওয়া যেতে পারে তা না হলে সবটাই বাদ।
কারন যাই থাকুক, দেশের নিয়ম বা যাই থাকুক না কেন। যতদিন চালক ও জনগন সচেতন না হচ্ছে ততদিন দূর্ঘটনা কমার কোন সুযোগ আছে বলে আমার মনে হয় না।
Labels:
Bangladesh
রাম কৃষ্ণ সরকার আমার নাম। বাপ্পী নামটি আমার কাকার দেওয়া। আমি আমাদের বংশের বড় ছেলে তাই ঠাকুর মা ও ঠাকুর দাদা সহ সবার আদর পেয়েছি সবচেয়ে বেশী। ভাল লাগে স্বপ্ন দেখতে, গান শুনতে, নতুন নতুন জাদু শিখতে ও ঘুরতে। আমি আমার “মা” কে সবচেয়ে বেশী ভালবাসি।
আমার বন্ধু সংখা অনেক কম। আমার কয়েকটা খারাপ গুন হচ্ছে সবার সাথে মিশতে না পারা, গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারিনা ও কথা কম বলা। ভাল লাগে শিশুদের সাথে সময় কাটাতে। মন খারাপ হলে বুড়িগঙ্গা নদীর পাশে একা একা বসে থাকতে।
Sunday, April 28, 2019
ধর্ষন ! RAPE ! ধর্ষন ! (সমাধান পর্ব)
গত
পর্বের লেখার সূত্র ধরেই বলছি,
সমাধান
গুলো একান্তই আমার মত করে ভাবা
তাই এর দ্বারা সমাজের যদি
কিছুটা উপকার হয় তাহলেই আমার
লেখার সার্থকতা।
নিয়ম
রক্ষার্থে একটি গল্প দিয়েই
শুরু করছি। আমার ঠাকুর দাদা
(বাবার
বাবা)
স্বর্গীয়
কালি পদ সরকার ছিলেন একজন লোক
কবি,
সাধক,
যাত্রা
শিল্পী ইত্যাদি। তিনি মৃত্যু
বরন করেন ১৯৯৮ সালে। তিনি এই
গল্পটা করেছিল। সত্য যুগে এক
রাজা ছিলেন তার ছিল এক সুন্দরী
স্ত্রী। তার স্ত্রীকে তিনি
খুব ভালবাসতেন। সেই সুন্দরী
স্ত্রী একদিন আবদার করল তাকে
এমন একটি শাড়ী উপহার দিতে যা
দেখে রাজ্যের সকল পুরুষ তার
দিকে তাকিয়ে থাকে। রাজা স্ত্রীর
মন রক্ষার্থে রাজ্যের সকল
তাঁতীদের ডাকলেন এবং বললেন
যে আমার স্ত্রীর মনের মত একটি
শাড়ী বানাতে পারবে তাকে উপযুক্ত
পুরষ্কার দেয়া হবে।
সকল
তাতী তাদের সাধ্যমত শাড়ী
বানিয়ে নির্দিষ্ট দিনে রাজ
দরবারে হাজির হলো। রানীকে
ডাকা হলো এবং তার পছন্দ মত
শাড়ী বেছে নিয়ে তার কক্ষে যেতে
বললেন রাজা। রানী একটি একটি
করে শাড়ী পরলেন এবং রাজদরবারে
এসে রাজাকে দেখালেন। রাজ
দরবারের সকলে শাড়ী দেখে প্রসংশা
করতে লাগলেন। সর্বশেষ শাড়ীটি
পরে রানী রাজ দরবারে আসতে দেরি
করছে দেখে রাজা লোক পাঠালেন
দ্রুত আসতে। রানী দারোয়ানকে
বললেন এই শাড়ী পরে আমি রাজদরবারে
যাতে পারবো না। রাজা এই কথায়
ভীষন রাগ করলেন এবং যে কোন
ভাবেই হোক রানীকে আসার আদেশ
করলেন। রানী খুবই লজ্জিত
অবস্থায় সেই শাড়ী পরে রাজ
দরবারে আসলেন। রানীকে দেখে
সকল সভাসদ লজ্জায় মাথা নিচু
করে রাখলেন,
কারন
সেই শাড়ী ছিল এতটাই পাতলা ও
মসৃন যে রানীর সম্পূর্ণ শরীরের
অঙ্গগুলো দেখা যাচ্ছে।
এই
অবস্থা দেখে এই শাড়ির কারিগর
তাঁতীকে রাজা হত্যার হুকুম
দিলেন এবং শাড়িটি আগুনে পুরিয়ে
ফেলার নির্দেশ দিলেন। তাতী
করজোড়ে তার অপরাধ জানতে চাইলেন
এবং তার পরিশ্রমের শাড়িকে
নষ্ট না করার জন্য অনুরোধ
করলেন। তাতী বললেন আপনি আমাকে
হত্যা করতে পারেন কিন্তু আমার
পরিশ্রমের মূল্য আমাকে দিতেই
হবে। রাজা তখন তাঁতীকে বললেন,
ঠিক
আছে তোমার এই পরিশ্রম বৃথা
যাবেনা,
পৃথিবী
ধংসের শেষ জামানায় ঘোর কলি
যুগে তুমি তোমার পরিশ্রমের
মূল্য পাবে। শেষ জামানার সময়
মেয়েরা পুরুষদের সামনে তাদের
শরীর দেখাতে পারাকে প্রশংসার
ও গৌরবের মনে করবে এবং তারা
এই ধরনের পোশাকই পরিধান করতে
স্বাচ্ছন্দবোধ করবে। তাদেরকে
দেখে সভ্য সমাজের পুরুষরা
লজ্জায় মুখ লুকিয়ে থাকবে। এই
বলে সেই শাড়িটি আগুনে পুরিয়ে
ফেলা হলো এবং তাঁতীকে মুক্ত
করে দেয়া হলো।
পাঠক
এবার মিলিয়ে দেখেন তো আপনার
চারপাশেই এমন পুরুষ তাঁতীরা
এমনই পোশাক বানাচ্ছে এবং সেই
পোশাক পরেই মেয়েরা লজ্জাহীন
ভাবে এই সমাজে ঘুরে বেড়াচ্ছে
কিনা?
একটি
মেয়েই মা হোন,
সে
আবার বোন,
কখনো
বা স্ত্রী রূপে পুরুষের জীবনে
আসে। যারা একটি মেয়েকে ধর্ষন
করে তাদের কাছে প্রশ্ন তুমি
কি তোমারই মা,
বোন
বা স্ত্রী কে ধর্ষন করছো????
নারী
নির্যাতন সম্বন্ধে কথা উঠলে,
তার
সমাধান সম্পর্কে শ্রীশ্রীঠাকুর
অনুকূলচন্দ্র একদিন যা বলেছিলেন
তার ভাবার্থ এমন যে,
নারী
যতই দুর্বল হোক না কেন সৃষ্টিকর্তা
তাদের হাতে এমন এক রক্ষাকবচ
দিয়ে দিয়েছেন যে পুরুষ যতই
কামোন্মত্ত হয়ে তার সর্বনাশ
সাধনে অগ্রসর হোক না কেন,
সে
(নারী)
যদি
তার সতীত্বের তেজ নিয়ে জোরে
তাড়া দিয়ে কোনভাবে তাকে একটা
মানসিক আঘাত (Mental
shock) দিতে
পারে,
তখনই
সে নিরস্ত হতে বাধ্য-আর
এগুতে সাহস পায় না।
যখনই
দেখিবে
পুরুষ-সংস্রব
তোমার
ভাল
লাগিতেছে-
অজ্ঞাতসারে,
কেমন
করিয়া,
পুরুষের
ভিতর যাইয়া
আলাপ
আলোচনায় প্রবৃত্ত হইতেছ-
বুঝিও-
পুরুষাকাঙ্ক্ষা
জ্ঞাতসারেই
হোক আর অজ্ঞাতসারেই হোক
তোমার
ভিতর মাথা তোলা দিতেছে;-
যদিও
স্ত্রী-পুরুষ
উভয়েরই প্রকৃতিগত একটা ঝোঁক
উভয়ের
সংস্রবে আসা-
তথাপি
দূরে থাকিও,
নিজেকে
সামলাইও-
নতুবা
অমর্যাদার
তোমাকে
কলঙ্কিত করিতে
কিছুই
লাগিবে না।
যতটুকু
আমার জানা আছে সকল প্রধান
ধর্মেই মেয়েদের যেমন সম্মান
দেয়া হয়েছে,
তেমনি
তাদের শালীনতার মধ্যে থাকতে
বলা
হয়েছে।
রামায়ন-এ
আমরা দেখতে পাই দেবী সীতা যখন
বনবাসে ছিলেন,
তখন
একদিন লক্ষন তাকে একটি রেখা
বা সীমানা দিয়ে যান এবং বলে
যান যেন কোন অবস্থাতেই তিনি
যেন এই রেখা পার না হন। ঘটনাক্রমে
রাবনের চক্রান্তে দেবী সীতা
সেই লক্ষন রেখা পার হন এবং
বাকি ইতিহাস সকলেই জানেন।
বিভিন্ন
সময় বিভিন্ন হুজুরের কাছ থেকে
ওয়াজে শুনেছি,
ইসলাম
ধর্মে মেয়েদের সকল সময় পর্দার
মধ্যে থাকতে বলা হচ্ছে,
বিবাহিত
নারীর একটি চুল যেন স্বামী
ব্যতিত অন্য কেও দেখতে না পারে
এমন পোশাক পরিধান করার কথা
বলা হচ্ছে। এটা একটি সমাধানের
পথ হতে পারে।
হিন্দু
ধর্মে বিবাহিত নারীরা শাখা,
সিঁদুর
পরে যেটা তার স্বামী জীবিত
আছে সেটা বুঝায়। এখনকার নারীরা
এই নিয়মকে কুসংস্কার মনে করছে।
যার কারনে কে বিবাহিত আর কে
অবিবাহিত তা বুঝা যায় না। এটাও
একটি সমাধানের পথ হতে পারে।
তোমার
চাউনি,
চলা,
হাসি,
কথা,
আচার,
ব্যবহারকে
এমনতর
ভাবে চরিত্রগত করিতে চেষ্টা
করিবে-
যাহাতে
সাধারণতঃ
পুরষ-মাত্রেরই
ভক্তি,
সম্ভ্রম,
শ্রদ্ধা
আকর্ষণ করে;-
তাই,
যখনই
দেখিবে
কোন
পুরুষ
তোমার
প্রতি
কামলোলুপ
ইঙ্গিত করিতেছে,
তখনই,
তোমার
চরিত্রকে
তন্ন
তন্ন করিয়া খুঁজিয়া দেখিও
গলদ
কোথায়-
আর,
কেন
এমন হইতেছে
যদিও
দুর্বলচিত্ত পুরুষ এমনই করিয়া
থাকে,
কিন্তু
তোমার
প্রতি ভয় ও সম্ভ্রমই
ইহার
উত্তম প্রতিষেধক।
কিছুদিন
আগে দেখলাম মেয়েদের জন্য একটি
টিশার্ট বের হয়েছে তাতে লেখা
“গা ঘেষে দাড়াবেন না” তার কিছু
দিন পরে আবার ছেলেদের জন্য
আরেকটি টিশার্ট বের হয়েছে
তাতে লেখা “গা ঘেষে দাড়াবেন
না,
বড়
চুল দেখলে স্ত্রী সন্দেহ করে”।
এভাবে হয়ত প্রতিবাদ করা যেতে
পারে কিন্তু সমাধান হবে কি?
যতদিন
পারিবারিক,
সামাজিক
ও রাষ্ট্রীয় ভাবে নারী পুরুষ
উভয়কেই একে ওপরের প্রতি শ্রদ্ধা,
ভালবাসা,
মূল্যবোধ
না শিখানো ততদিন হয়ত এর থেকে
আমরা মুক্ত হব না।
সর্বশেষে
বলতে চাই একমাত্র মানুষ (নারী
ও পুরুষ)
যখন
তার নিজ নিজ ধর্মের নির্দেশগুলো
সঠিক ও যুগোপযোগিতার সাথে
পালন করবে তখনি কেবল এই ধরনের
কর্মকান্ড থেকে সমাজ রক্ষা
পাবে।
Labels:
Bangla,
Bangladesh,
Thakur
রাম কৃষ্ণ সরকার আমার নাম। বাপ্পী নামটি আমার কাকার দেওয়া। আমি আমাদের বংশের বড় ছেলে তাই ঠাকুর মা ও ঠাকুর দাদা সহ সবার আদর পেয়েছি সবচেয়ে বেশী। ভাল লাগে স্বপ্ন দেখতে, গান শুনতে, নতুন নতুন জাদু শিখতে ও ঘুরতে। আমি আমার “মা” কে সবচেয়ে বেশী ভালবাসি।
আমার বন্ধু সংখা অনেক কম। আমার কয়েকটা খারাপ গুন হচ্ছে সবার সাথে মিশতে না পারা, গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারিনা ও কথা কম বলা। ভাল লাগে শিশুদের সাথে সময় কাটাতে। মন খারাপ হলে বুড়িগঙ্গা নদীর পাশে একা একা বসে থাকতে।
Sunday, April 21, 2019
ধর্ষন ! RAPE ! ধর্ষন !
কিছুদিন
যাবত এই বিষয়টি আমাদের সমাজে
ব্যাধির মত হয়ে যাচ্ছে। ধর্ষন কি,
কত
প্রকার ইত্যাদি আমরা উইকিপিডিয়াতে
জানতে পারি। আজকে
আমি এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা
করার মানে,
হয়ত
আমার একার মাধ্যমে এই ব্যাধি
ঠিক করা সম্ভব নয় কারন আমার
এই লেখাটা একজন ক্যানসার
রোগীকে এক ফোটা ঔষধ দেয়ার মত।
আমার
এই লেখাটি সম্পূর্ন আমার মতো
করে লেখা,
যদি
কোন ব্যাক্তি,
প্রতিষ্ঠান
ও ধর্মীয় ভাবে কেহ কষ্ট পেয়ে
থাকেন সেটা হবে একান্তই তার
ব্যাক্তিগত,
কারন
কাউকে কষ্ট বা হেয় করার উদ্দেশ্যে
আমি এটা লিখছি না।
একটি
প্রতিকী গল্প দিয়ে আমার এই
লেখা শুরু করতে চাই,
একটি
গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির
একটি আখ ক্ষেত ছিল। জমির মালিক
একদিন ক্ষেতে যেয়ে দেখে কয়েকজন
গরিব লোক সাথে তার এক দূর
সম্পর্কের ভাই মিলে আখ তুলে
খাচ্ছে। জমির মালিক তার দূর
সম্পর্কের ভাই কে ডেকে বলল
কিরে কি ব্যাপার তুই আমার ভাই
তুই আখ খাবি খা,
এই
জন্য গ্রামের গরিব লোক নিয়ে
খাবি। তারপর দুই ভাই মিলে সেই
গরিব লোকদের মেরে বের করে দিল।
কিছুদিন পরে সেই দূর সম্পর্কের
ভাই একা এসে আবার আখ খেতে লাগলো,
এবার
জমির মালিক একাই তার ভাইকে
মেরে বের করে দিল।
গল্পের
মূল কথাঃ-
যারা
খারাপ বা অসৎ লোকের সঙ্গ দিবে
তার একদিন না একদিন বিপদে
পরবেই।
এখন
আসল বিষয়ে যাই,
কিছুটা
পিছন থেকে শুরু করতে চাই,
১৯৯৫
সালের ২৪ শে আগস্ট,
অন্যান্ন
দিনের মতই এই দিনটি শুরু হয়েছিল। দিনাজপুরে
ইয়াসমিন নামের এক মেয়েকে ধর্ষন
করে কিছু পুলিশ সদস্যরা। আমার
যতটুকু মনে পরে এটা এমন একটা
ঘটনা যেটা সারা বাংলাদেশে
সারা ফেলে দিয়েছিল। সিরাজগঞ্জে
২০০১
সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের
পর ১৪ বছরের কিশোরী পূর্ণিমা
রানী শীল ওপর চালানো হয় পাশবিক
নির্যাতন। এমনি
করেই প্রতিদিন,
প্রতি
মাস কিংবা প্রতি বছর কোথা না
কোথাও এমন ঘটনা ঘটেই চলচ্ছে,
এটা
যে বাংলাদেশের মত গরিব দেশে
হয় তা কিন্তু নয়। পৃথিবীর
বিভিন্ন প্রান্তেই বা দেশে
ঘটে চলেছে।
এই
সুন্দর পৃথিবীতে সৃষ্টিকর্তা
মানুষকে মূলত দুই ভাগে সৃষ্টি
করেছেন নারী ও পুরুষ। তাদেরকে
ধর্মীয় ও সামাজিক ভাবে এক সাথে
বসবাস করার জন্য বিবাহ বন্ধনে
আবদ্ধ হতে হয়। তারপর তাদের
শারিরিক মিলনের ফলে জম্ম নেয়
একটি নতুন জীবন বা মানুষের।
একজন বাবা ও মায়ের সেই বিশেষ
মূহুর্তের মানসিকতার ও
চিন্তাভাবনার উপর নির্ভর করে
একজন ছেলে বা মেয়ের জীবন,
চরিত্র,
ভবিষ্যত
সকল কিছু। আমি বিয়ের আগে কয়েক
জন মেয়েকে ভাল বাসতাম,
আমার
স্ত্রী হয়তো একজন কে ভালবাসত।
বিয়ের পরেও যদি তাদের সেই
পূর্বের সম্পর্ক থেকে থাকে
তাহলে সমাজের কি হবে তা দেখাই
যাচ্ছে। যার কারনে দেশের
জনসংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে
কিন্তু মানুষ বাড়ছে না।
বেশ
কিছুদিন যাবত নুসরাত নামের
একজন মাদ্রাসা ছাত্রীর জীবনে
যে ঘটনা ঘটেছিল তা নিয়ে মহল্লার
ছোট চায়ের দোকান থেকে শুরু
করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
পর্যন্ত সবাই তৎপর। এরপর কি
হয়,
বিচার
পাবে কিনা,
যে
বা যারা এই অমানবিক কাজের সাথে
সংস্লিষ্ট তারা শাস্তি পাবে
কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি। ধর্ষন
নানা ভাবে নানা কারনে হতে
পারে,
এক
গবেষনায় দেখা গেছে নারীরা
তার পরিচিত,
কাছের
মানুষ বা আপন মানুষের কাছ
থেকেই বেশী ধর্ষনের শিকার
হয়। এই ঘটনা গুলো বেশী ঘটছে
কিছুটা পারিবারিক শিক্ষা,
সামাজিক
অবক্ষয়,
উচ্চাকাঙ্ক্ষার
ফলে। তাই মুনীর চৌধুরীর সেই
লেখা সেই লাইনটি মনে পরছে,
“মানুষ
মরে গেলে পচে যায়,
বেঁচে
থাকলে বদলায়,
কারণে-অকারণে
বদলায়”। মাঝে মাঝে ভাবি আমি
যদি নুসরাত হতাম আর যদি বেচেই
যেতাম তাহলে কি সমাজ,
প্রধানমন্ত্রী
কি আমার পরিবারের এতটা দেখা
শুনা করতেন??
তাহলে
কি সয়তান সিরাজউদ্দৌলার কি
সাজা হতো??
এখানে
পরমদয়াল শ্রীশ্রীঠাকুর
অনুকূলচন্দ্র,
সত্যানুসরণ-এ
বলছেন,
“জগতে
মানুষ যত-কিছু
দুঃখ পায় তা'র
অধিকাংশই কামিনী-কাঞ্চনে
আসক্তি থেকে আসে,
ও
দুটো থেকে যত দূরে স'রে
থাকা যায় ততই মঙ্গল। কামিনী-কাঞ্চন
সম্বন্ধীয় যে-কোন
রকম আলোচনাই ওতে আসক্তি এনে
দিতে পারে। ও-সব
আলোচনা থেকে যত দুরে সরে থাকা
যায় ততই ভাল।”
গত
১ লা বৈশাখ ১৪২৬ রোজ রবিবার
বিকালে আমাদের বুড়িগঙ্গা
নদীর ধারে একা হাট ছিলাম। দেখি
৪-৫
জন ছেলে ও একটি মেয়ে ২০-২২
বছর হবে গল্প করছে,
পোষাক
ও চেহারা দেখে মনে হল নিম্নে
মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে মেয়ে।
পাশ দিয়ে হাটতে হাটতে যতটুকু
শুনলাম তাদের আলোচ্য বিষয় কি
ভাবে মেয়েদের ধর্ষন করে।
কিছুটা অবাক হলাম বটে। এখন
প্রশ্ন হচ্ছে ঐ ছেলে গুলো যদি
রাতে মেয়েটিকে নিয়ে ধর্ষন
করে তাহলে এই দায় কি আমাদের
সমাজের নাকি রাষ্ট্রের নাকি
পরিবারের।
আমি
বাসায় গেলে সাধারনত টিভিতে
খবর দেখি না,
কারন
এমন কোন দিন নাই যেখানে সকল
গনমাধ্যম কোন কোন না দূর্ঘটনা,
ধর্ষন,
হত্যা
ইত্যাদির খবর প্রচার করে না।
যে ঘটনা মানুষ নিয়মিত শুনে
বা দেখে তার প্রতি মানুষের
অবচেতন মনে যাবেই এটাই মনের
ধর্ম। তাই সকল ধর্মে ঈশ্বরের
উপাসনা করা,
ভাল
চিন্তাভাবনা করা,
ভাল
কাজ কারার,
ভাল
লোকের সঙ্গ কারার কথা বলা
হয়েছে।
সমাধান
কি আছে????
জানতে
চাই,
সমাজ,
দেশ,
গবেষক,
সাধারন
মানুষ ও দেশ পরিচালকদের কাছ
থেকে। কি হবে আমারা যারা এখনও
বেচে আছি এই সমাজে বা পৃথিবীতে।
Labels:
Bangladesh,
Thakur
রাম কৃষ্ণ সরকার আমার নাম। বাপ্পী নামটি আমার কাকার দেওয়া। আমি আমাদের বংশের বড় ছেলে তাই ঠাকুর মা ও ঠাকুর দাদা সহ সবার আদর পেয়েছি সবচেয়ে বেশী। ভাল লাগে স্বপ্ন দেখতে, গান শুনতে, নতুন নতুন জাদু শিখতে ও ঘুরতে। আমি আমার “মা” কে সবচেয়ে বেশী ভালবাসি।
আমার বন্ধু সংখা অনেক কম। আমার কয়েকটা খারাপ গুন হচ্ছে সবার সাথে মিশতে না পারা, গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারিনা ও কথা কম বলা। ভাল লাগে শিশুদের সাথে সময় কাটাতে। মন খারাপ হলে বুড়িগঙ্গা নদীর পাশে একা একা বসে থাকতে।
Monday, April 1, 2019
“ওঁ” এর উচ্চারণ
আমরা
সামান্য রোগ হলেই ডাক্তার এর
কাছে,
যার
ফলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা দিন দিন কমে যাচ্ছে
আর ঔষধ কম্পানির লাভ হচ্ছে।
সনাতন ধর্মাবলম্বী মুনী ঋষিরা
বহু বহু বছর আগে এমন কিছু
নিয়মাবলী ধর্মের মাধ্যামে
আমদের মাঝে দিয়ে গেছেন যা সঠিক
ভাবে পালন করলে আমরা অনেক
সুস্থ থাকতে পারি। তেমনি একটি
বিষয় নিয়ে আজকে আলোচনা করবো।
সনাতন
ধর্মাবলম্বী বিশ্বাস করে
“ওঁ” শব্দ পৃথিবীর আদি শব্দ,
মানে
এই শব্দ থেকেই পৃথিবীর সৃষ্টি।
সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তাদের
সকল পূজার মন্ত্রেই “ওঁ”
শব্দটি উচ্চারণ করেন। আসুন
যেনে নেই ওঁ উচ্চারণের কিছু
উপকারিতা,
যাতে
ধর্মীয় বিষয় যতটা না আছে তার
চেয়ে অধিক আছে মানুষকে সুস্থ
থাকার বিষয়। “ওঁ” উচ্চারণে
কিভাবে আমাদের স্বাস্থ্য
বর্ধক আর আরোগ্য লাভ হয় তাই
এখন জানবো।
“ওঁ”
শব্দটি মূলত তিন অক্ষরের
সমষ্টি,
১।
অ ২। উ ৩। ম্।
“অ” এর ধাতুগত অর্থ উৎপন্ন হওয়া
“উ” এর ধাতুগত অর্থ বিকাশ
“ম” এর ধাতুগত অর্থ হলো মৌন হওয়া অর্থাৎ ব্রহ্মেলীন হয়ে যাওয়া
“অ” এর ধাতুগত অর্থ উৎপন্ন হওয়া
“উ” এর ধাতুগত অর্থ বিকাশ
“ম” এর ধাতুগত অর্থ হলো মৌন হওয়া অর্থাৎ ব্রহ্মেলীন হয়ে যাওয়া
-:উচ্চারণ
বিধি:-
সকালে
উঠে পবিত্র হয়ে “ওঁ” ধ্বনি
উচ্চারণ করতে হবে।
“ওঁ”
এর উচ্চারণ পদ্মাসন,
অর্ধ-পদ্মাসন,
সুখাসন
বা বজ্রাসনে
বসে অথবা স্বাভাবিক ভাবে বসেও
করতে পারেন।
১)
থাইরয়েড
(Thyroid):-
“ওঁ” এর উচ্চারণ করলে গলায় এক প্রকার কম্পন উৎপন্ন হয় যার ফলে Thyroid গ্রন্থিতে Positive প্রভাব পড়তে থাকে। যার ফলে যারা সংগীত করেন তাদের জন্য বিশেষ ভাবে উপকার।
“ওঁ” এর উচ্চারণ করলে গলায় এক প্রকার কম্পন উৎপন্ন হয় যার ফলে Thyroid গ্রন্থিতে Positive প্রভাব পড়তে থাকে। যার ফলে যারা সংগীত করেন তাদের জন্য বিশেষ ভাবে উপকার।
২)
মানষিক
দুর্বলতা,
দুশ্চিন্তা:-
যারা কথায় কথায় ঘাবড়ে যান অথবা অধীর হয়ে যান তাহলে “ওঁ” এর উচ্চারণ থেকে উত্তম আর কিছুই নেই। এটা শরীরের বিষাক্ত রস দূর করে অর্থাৎ চিন্তার কারণে উৎপন্ন হওয়া দ্রব্যকে (Toxin) নিয়ন্ত্রণ করে। এটা উচ্চারণ করলে পুরো শরীর চিন্তা বিহীন হয়ে যায়।
যারা কথায় কথায় ঘাবড়ে যান অথবা অধীর হয়ে যান তাহলে “ওঁ” এর উচ্চারণ থেকে উত্তম আর কিছুই নেই। এটা শরীরের বিষাক্ত রস দূর করে অর্থাৎ চিন্তার কারণে উৎপন্ন হওয়া দ্রব্যকে (Toxin) নিয়ন্ত্রণ করে। এটা উচ্চারণ করলে পুরো শরীর চিন্তা বিহীন হয়ে যায়।
৩)
রক্তের
প্রবাহ ও পাচন শক্তি বৃদ্ধি:-
“ওঁ”এর উচ্চারণ হৃদয় আর রক্তের প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখে। এর ফলে পাচন শক্তি বৃদ্ধি করে, যার ফলে মানুষের আহারের আগ্রহ বারে।
“ওঁ”এর উচ্চারণ হৃদয় আর রক্তের প্রবাহকে স্বাভাবিক রাখে। এর ফলে পাচন শক্তি বৃদ্ধি করে, যার ফলে মানুষের আহারের আগ্রহ বারে।
৪)
মনে
আনে স্ফূর্তি:-
“ওঁ” এর উচ্চারণ মনের এক প্রকার চঞ্চলতা বারে যার ফলে প্রতিদিন মনে আনবে স্ফূর্তি। শারিরিক ক্লান্ত হওয়ার থেকে বাঁচতে এর থেকে উত্তম উপায় আর কিছুই নেই।
“ওঁ” এর উচ্চারণ মনের এক প্রকার চঞ্চলতা বারে যার ফলে প্রতিদিন মনে আনবে স্ফূর্তি। শারিরিক ক্লান্ত হওয়ার থেকে বাঁচতে এর থেকে উত্তম উপায় আর কিছুই নেই।
৫)
ঘুম:-
ঘুম না আসা বা অনিদ্রার মহা ঔষধ “ওঁ” এর উচ্চারণ। রাতে শোওয়ার আগে কিছু সময় পর্যন্ত মনে মনে এটা করলে ঘুম অবশ্যই আসবে।
ঘুম না আসা বা অনিদ্রার মহা ঔষধ “ওঁ” এর উচ্চারণ। রাতে শোওয়ার আগে কিছু সময় পর্যন্ত মনে মনে এটা করলে ঘুম অবশ্যই আসবে।
৬)
ফুসফুস
আর মেরুদন্ড:-
কিছু বিশেষ প্রাণায়ামের সাথে এটা করলে ফুসফুস ভাল থাকে। “ওঁ” শব্দ উচ্চারণ করলে শারিরিক এক প্রকার কম্পন উৎপন্ন হয়। যে কম্পনের ফলে মেরুদন্ডের হাড়গুলো প্রবাহিত হয়ে মেরুদন্ডের ক্ষমতা বাড়ায় দিবে।
কিছু বিশেষ প্রাণায়ামের সাথে এটা করলে ফুসফুস ভাল থাকে। “ওঁ” শব্দ উচ্চারণ করলে শারিরিক এক প্রকার কম্পন উৎপন্ন হয়। যে কম্পনের ফলে মেরুদন্ডের হাড়গুলো প্রবাহিত হয়ে মেরুদন্ডের ক্ষমতা বাড়ায় দিবে।
Labels:
Religious
রাম কৃষ্ণ সরকার আমার নাম। বাপ্পী নামটি আমার কাকার দেওয়া। আমি আমাদের বংশের বড় ছেলে তাই ঠাকুর মা ও ঠাকুর দাদা সহ সবার আদর পেয়েছি সবচেয়ে বেশী। ভাল লাগে স্বপ্ন দেখতে, গান শুনতে, নতুন নতুন জাদু শিখতে ও ঘুরতে। আমি আমার “মা” কে সবচেয়ে বেশী ভালবাসি।
আমার বন্ধু সংখা অনেক কম। আমার কয়েকটা খারাপ গুন হচ্ছে সবার সাথে মিশতে না পারা, গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারিনা ও কথা কম বলা। ভাল লাগে শিশুদের সাথে সময় কাটাতে। মন খারাপ হলে বুড়িগঙ্গা নদীর পাশে একা একা বসে থাকতে।
Saturday, May 5, 2018
সব সমস্যার সমাধান / জানিস ইষ্ট প্রতিষ্ঠান
আজ
আমি আলোচনা করবো পরম দয়ালের
একটি বাণী “সব সমস্যার সমাধান
/
জানিস
ইষ্ট প্রতিষ্ঠান।”
এখন
সাধারন মনে প্রশ্ন আসতেই পারে
কিভাবে ইষ্ট প্রতিষ্ঠা করলে
আমার জীবনের সব সমস্যার সমাধান
হতে পারে?
আমরা
বড় বড় ধর্মগ্রন্থ পড়ে সেই
বই-এর
মতই হয়ে গেছি। শ্রীশ্রীঠাকুর
যেখানে বলছেন ধর্ম মানে বাঁচা
বাড়ার বিজ্ঞান। যা মানুষকে
কিভাবে বাঁচতে এবং বাড়তে শিখায়
এক কথায় তাই ধর্ম। আমরা যদি
ধর্মটাকে সাধারন ভাবে বুঝার
চেষ্টা করি তাহলেই জীবনটা
সুন্দর হবে বলে আমার বিশ্বাস।
আমার
জীবনের একটা গল্প দিয়ে আমার
আলোচনা শুরু করবো। আমার প্রথম
বিদ্যালয় ছিল সিরাজুল ইসলাম
একাডেমী সরকারী প্রাথমিক
বিদ্যলয়,
গেন্ডারিয়া,
ঢাকা।
বিদ্যালয়টি কে বানিয়েছেন তার
নাম জানতাম কিন্তু কখনো দেখার
সুযোগ হয়নি। ১ম থেকে ৫ম শ্রেনী
পর্যন্ত পড়ালেখা করা কালীন
বেশ কয়েকজন প্রধান শিক্ষককে
দেখিছি ও পরে নিয়মানুসারে
অন্যত্র চলে গিয়েছিলেন। কয়েক
জনের নাম এই মহূর্তে মনে পরছে
যেমনঃ-
মজিবুর
স্যার,
মোঃ
শাহজাহান স্যার,
মজুমদার
স্যার ইত্যাদি। তার সাধারনত
ক্লাস নিতেন না। শুধু বিদ্যালয়টি
কিভাবে চলবে,
কিভাবে
ক্লাস নিতে হবে ইত্যাদি ঠিক
করে দিতেন। ক্লাস নিতেন কয়েকজন
শ্রেনী শিক্ষক বা শিক্ষিকা
যেমনঃ-
ছালমা
ম্যাডাম,
শাহজাহান
স্যার,
জাহাঙ্গীর
স্যার ইত্যাদি। তারা যেভাবে
পড়াতেন আমরা সেই ভাবে পরতাম
এবং পরীক্ষা দিতাম,
যোগ্যতা
অনুসারে আমরা ছাত্র-ছাত্রীরা
এক একজন ক্রমানুসারে পাশ বা
ফেল করতাম। শিক্ষকের কাছ থেকে
লেখা-পড়া
বুঝে নেবার ক্ষমতা এক একজনের
এক একরকম ছিল। যার ফলে একই পড়া
আমরা এক একজন নানা ভাবে বুঝেছিলাম।
কিন্তু শিক্ষক একই সাথে একই
বিষয় একই ভাবে সবাইকে পড়াতেন
বা বুঝাতেন। আমি তখন যেমন
বুঝেছিলাম তেমনই আমার জীবনে
প্রতিফলিত হয়েছে।
প্রাইমারী
ছাত্র জীবনের একদিনের একটি
ঘটনা মাঝে মাঝে মনে পড়ে খুব।
সম্ভবত ৪র্থ বা ৫ম শ্রেনীর
একদিন অংক শিক্ষক ছিলেন না।
আমাদের ক্লাসের পাশের কক্ষটি
ছিল প্রধান শিক্ষকের রুম।
শিক্ষক না থাকাই সেদিন স্বভাবতই
আমাদের কাছে চাঁদ রাতের আনন্দ।
No
Class Do Furti. তাই
প্রধান শিক্ষক ক্লাসে এসে
বললেন তোমরা চুপচাপ কয়েকটি
অংক দিয়ে বললেন অংক গুলা করতে
থাকো আমি পরে এসে দেখবো। আর
শিক্ষকের চেয়ারের উপর একটা
বেত রেখে গেলেন ভয় দেখানোর
জন্য যে যে দুষ্টামি করবে
তাদের পেটানো হবো। যথারিতি
ছাত্র অবস্থায় যেহেতু প্রথম
বেঞ্চে বসার অভ্যাস সেই দিনও
বসে ছিলাম। অংক শেষ করে শুরু
করলাম সবাই হই-হুল্লোড়।
সেই মুহুর্তে শিক্ষক এসে আমাকে
সামনে পেল আর পিটালো,
তারপরে
আর কয়েকজন বন্ধুও তার ভাগিদার
হয়েছিল। শ্রেনী শিক্ষক না
থাকলে যা হয় আরকি।
আমি
যখন খুব শান্ত অবস্থায় ধর্ম
নিয়ে ভাবতে থাকি তখন জীবনের
এই ঘটনাটা চোখের সামনে ভেসে
উঠে। বিশ্বব্রহ্মাণ্ড কে
বানিয়েছেন তার নাম যাই হোক
না কেন তাকে আমি বা আমরা দেখিনি।
বিশ্বব্রহ্মাণ্ড নিয়ন্ত্রন
করার জন্য যুগে যুগে যুগ-অবতাররা
নানা সময়,
নানা
স্থানে,
নানান
রুপে আবির্ভুত হন মানব জাতিকে
সঠিক পথ দেখানোর জন্য। যাদের
প্রত্যেকের উদ্দেশ্য,
বলা
একই। তাদের বার্তা সঠিক ভাবে
পৃথিবীর সকল মানুষের কাছে
পৌছে দেবার জন্য কিছু ধর্ম
প্রচারকে তিনি নিয়োজিত করেন।
ধর্ম প্রচারকেরা তাদের মতন
করে বিভিন্ন ভাষায় বিভিন্ন
স্থানে শুরু করেন ধর্ম প্রচার।
আমরা যারা ছাত্র রুপি সাধারন
মানুষ তাদের বুঝার কারনে আজ
ধর্মে ধর্মে এত বিভেদ,
এত
পার্থক্য। যখনই আমরা যুগ-অবতারদের
নির্দেশিত পথ থেকে কিছুটা
বিচ্যুত হই তখনই আমাদের জীবনে
নেমে নানা রকম দুর্যোগ।
ব্যক্তিগত
আলোচনা তো অনেক হলো এখন আসা
যাক আসল কথায়। কি করে ইষ্ট
প্রতিষ্ঠা করলে আমার সব সমস্যার
সমাধান হবে। ফকির লালন শাহ্
একটি অমর গান-
যদি
ভোগ দিলে ভগবান মিলতো
আল্লাহ
মিলতো সিরনিতে।
বড়
করে ভোগ সাজাইয়া
রাজা
পারতো কিনিতে।
এখন
প্রশ্ন হতেই পারে আমার বাড়ির
ছাদে ঠাকুরের সুন্দর একটা
মন্দির করেছি,
সেখানে
সকাল-সন্ধা
বাড়ির বৌ-ঝিরা
পূজা প্রার্থনা সব করে। আমি
ব্যবসার কারনে খুব একটা সময়
পাই না,
আরে
দাদা টাকা আয় করতে হবে তো নাকি?
এটা
কি ইষ্ট প্রতিষ্ঠা হলো না?
তাহলে
আমার জীবনে এত সমস্যা কেন
দাদা?
পরম
দয়াল শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র
সবচাইতে বেশী বলতেন কিভাবে
মানুষের জীবনকে সুন্দর ও
সার্থক করা যায়। নিজের জীবনকে
ভালবাসেন না এমন কি কেও আছেন।
সৎসঙ্গ
ও সৎসঙ্গী বলতে যা বুঝিঃ-
সৎসঙ্গ:-
Etymological
meaning or root meaning of Satsang
সৎসঙ্গী:-
‘সৎ’
বা (sat)
সৎ-
এসেছে
‘অস্’ ধাতু থেকে। অস্ – বাঁচা,
থাকা,
বৰ্দ্ধন।
অৰ্থাৎ
যে যে আচরণ করলে সকলের বেঁচে
থাকা ও বৃদ্ধি পাওয়া তথা
জীবন-বৃদ্ধি
অক্ষুন্ন থাকে তাহাই ‘সৎ’।
সৎ
এ সংযুক্তির সহিত তৎ-গতি
সম্পন্ন যারা তারাই ‘সৎসঙ্গী
’। আর তাদের মিলন ক্ষেত্রই
হল ‘সৎসঙ্গ’
আপনি
যদি সৎসঙ্গী হন তার মানে You
are
the companion of every one’s life and growth” (তুমি
প্রতি প্রত্যেকের জীবন বৃদ্ধির
সঙ্গী)।
প্রথমে
জানতে হবে ইষ্ট কে বা কি?
সহজ
কথায় গুরুভক্তি থেকেই মানুষ
মঙ্গলের অধিকারী হয়। ঐ গুরুকেই
ইষ্ট বলে। ইষ্ট মানে মঙ্গল,
অর্থাৎ
গুরুকেই অনুসরণ করলেই মানুষের
মঙ্গল আসে। পরম দয়ালের কথা
তো মিথ্যা হবার বিন্দু মাত্র
অবকাশ নাই। তাহলে …............
তাঁর
(ইষ্ট)
সাথে
যার নাই ভাব তারই হয় অভাব।
পৃথিবীর কোন জীব বা প্রাণী
সমস্যায় নাই এমন হতে পারে না।
কারও সমস্যা পারিবারিক,
কারও
সামাজিক,
কারও
প্রাতিষ্ঠানিক বা কারও অন্য
কিছু। যুগ-পুরুষোত্তমরা
যখনই পৃথিবীতে এসেছেন তারা
চাইতেন সবাই যাতে ভাল থাকেন।
তাই তারা যুগপোযোগী কিছু বিধান
বা নিয়ম কানুন দিয়ে গেছেন।
যা সকল ধর্ম,
মত,
পথের
জন্য পালনীয়। যারা বিশ্বাস
করেন শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্রই
এই যুগের জন্য এসেছিলেন তাঁর
জীবন দশায় তিনি বলেননি এমন
কোন বিষয় ছিল না। সব অবতার
পুরুষরাই একই ভাবে সব কিছু
বলেছেন।
আবারও
ছাত্রজীবনের উদাহরন দিয়ে
আমার লেখ শেষ করবো। ছাত্রজীবনে
যারা শিক্ষকের লেখা-পড়া
বিষয়ক প্রতিটি কথা যারা মনযোগ
দিয়ে শুনেছে তারাই পরিক্ষায়
ভাল ফলাফল করেছে। তেমনি যারা
পরম দয়ালের প্রতিটি আদেশ
নির্দেশ সঠিক ভাবে পালন করেছে
তারাও কখনো বিফল হয়নি,
হবেও
না। তিনি ব্যক্তি থেকে সমাজ,
রাষ্ট
থেকে গোটা পৃথিবী কিভাবে চলবে
তার প্রতিটি নির্দেশ দিয়েছেন
বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাষায়।
সহজ
কথায় আমি বলতে পারি ইষ্ট
প্রতিষ্ঠা মানে ইষ্টের
নির্দেশগুলো নিজের জীবনে
সঠিক ভাবে প্রতিফলিত করা।
তাহলেই আমাদের সকল ধরনের
সমস্যাগুলো ধারাবাহিক ভাবে
সমাধান হবেই।
পরমপিতা
সবার মঙ্গল করুন।
জয়
গুরু।
রাম কৃষ্ণ সরকার আমার নাম। বাপ্পী নামটি আমার কাকার দেওয়া। আমি আমাদের বংশের বড় ছেলে তাই ঠাকুর মা ও ঠাকুর দাদা সহ সবার আদর পেয়েছি সবচেয়ে বেশী। ভাল লাগে স্বপ্ন দেখতে, গান শুনতে, নতুন নতুন জাদু শিখতে ও ঘুরতে। আমি আমার “মা” কে সবচেয়ে বেশী ভালবাসি।
আমার বন্ধু সংখা অনেক কম। আমার কয়েকটা খারাপ গুন হচ্ছে সবার সাথে মিশতে না পারা, গুছিয়ে মিথ্যা কথা বলতে পারিনা ও কথা কম বলা। ভাল লাগে শিশুদের সাথে সময় কাটাতে। মন খারাপ হলে বুড়িগঙ্গা নদীর পাশে একা একা বসে থাকতে।
Subscribe to:
Posts (Atom)